অ্যাপেল নিয়ে কিছু অজানা ও মজাদার তথ্য

apple

তনিমা, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় কোম্পানীগুলোর মধ্যে অ্যাপেল অন্যতম।আমরা সবাই অ্যাপেল নিয়ে কিছু না কিছু জানি।কিন্তু অ্যাপেল এর কিছু মজাদার ও অজানা বিষয় রয়েছে যেগুলো আমাদের অজানা। চলুন জেনে নেই কিছু অজানা ও মজাদার তথ্য।

  • ১৯৭৬ সালে অ্যাপেল তার যাত্রা শুরু করে। কিন্তু কেন নিজের সংস্থার এমন অদ্ভূত নাম রাখলেন স্টিভ জোবস? সেই সময়ে স্টিভ নাকি ফল-নির্ভর ডায়েট মেনে চলছিলেন। তখন একবার একটা আপেল ফার্মে যেতে হয়েছিল তাঁকে। সেখানে গিয়েই নাকি অ্যাপেল নামটি মাথায় আসে তাঁর। তাঁর মনে হয়েছিল, এর থেকে সহজবোধ্য নাম আর কিছু হতে পারে না তাঁর সংস্থার জন্যে।
  • অ্যাপলের অ্যাপ স্টোরে আছে ১৫ লাখের মতো অ্যাপ। এর মাঝে অন্তত হাজার খানেক অ্যাপ আছে, যেগুলো একবারও নামানো হয়নি!
  • অ্যাপলের প্রথম লোগোটিতে দেখা যায় বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন অ্যাপল গাছের নিচে বসে আছেন। এর নকশাকার ছিলেন রোনাল্ড ওয়েন। কিন্তু জবসের কাছে এটি জটিল বলে মনে হয়। ফলে এর বদলে এক কামড় দেওয়া একটি রংধনু রঙের আপেল লোগো হিসেবে ব্যবহার করেন
  • অ্যাপলের কম্পিউটার বা ল্যাপটপের আশেপাশে ধূমপান করলে ওয়ারেন্টি শেষ হয়ে যায়।
  • আইফোনের সব বিজ্ঞাপনে সর্বদা ৯টা ৪১ মিনিট দেখানো হয়। পেছনের কারণ, ২০০৭ সালে এই সময়টাতেই স্টিভ জবস প্রথম আইফোন লন্চ করেছিল।
  • অ্যাপলের জনপ্রিয় সব পণ্যের শুরুতে ‘আই’ বর্ণটি এসেছে ‘ইন্টারনেট’ থেকে।
  • অ্যাপলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা রোনাল্ড ওয়েন ১৯৭৭ সালে কোম্পানির শেয়ার ৮০০ডলারে বিক্রি করেন,সেই সময় কোম্পানিতে তার শেয়ার ছিল ১০%।বর্তমানে যার দাম প্রায় ৩০বিলিয়ন ডলার থেকেও বেশি।
  • ১৯৮৫সালে,কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা হওয়া সত্ত্বেও,স্টিভ জবসকে ৩০ বছর বয়সেই অ্যাপল থেকে বহিস্কার করা হয়।
  • অ্যাপেল এবং স্যামসাংয়ের মধ্যকার সাপে-নেউলে সম্পর্কের কথা কারও অজানা নয়৷ এই দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই পেটেন্ট ইস্যুতে চলছে মামলা-মোকদ্দমা৷ তবে এক জায়গায় তারা কিন্তু মিত্র৷ জনশ্রুতি রয়েছে, স্যামসাংয়ের তৈরি কম্পিউটার চিপ হচ্ছে আইফোনের মূল চালিকাশক্তি৷
  • অনেক সময় তাড়াহুড়ো করে পকেট থেকে ফোন নিতে গিয়ে, কিংবা আঙুলের ফাঁক গলে পড়ে গিয়ে আইফোনের পর্দায় চিড় ধরতে পারে৷ তবে আপনি কি কখনও ১৩,৫০০ ফুট উপর দিয়ে আপনার ফোনটা নীচে ফেলেছেন? এক স্কাইডাইভার কাজটি করেছেন৷ তারপরও সেই আইফোন দিয়ে কল করা যেত৷
  • অনেক মানুষ আছে যারা অ্যাপেলের অনেক বড় ভক্ত।কিন্তু দুনিয়ার সবচেয়ে বড় অ্যাপেলের ভক্ত ছিল একজন জাপানী।যিনি অ্যাপেল আইফোন লঞ্চ হবার সাত মাস পূর্বেই অ্যাপেল স্টোরের সামনে অপেক্ষা করছিলেন যাতে তিনি ফোনটি সবার প্রথমে কিনতে পারেন।
  • যদি আপনি অ্যাপেল এর আইফোনে আইটিউন সার্ভিসটি ব্যবহার করেন তাহলে সেটির নীতিমালাকে মনোযোগের সাথে পড়বেন।আইটিউনের নীতিমালায় লেখা রয়েছে যে গান শোনার সময় কোন নিউক্লিয়ার অস্ত্র বানানো যাবেনা।