ডিজিনির ম্যাজিক বেঞ্চে ছুঁতে পারবেন “ক্যারেক্টার”

তানজিম রহমান রিম্পা, দিনাজপুর, সদর প্র্রতিনিধি: উন্নত বিশ্বে এআর (অগমেন্টেট রিয়েলিটি) এবং ভিআর (ভার্চুয়াল রিয়েলিটি) এখন নস্যি। আমাদের অঞ্চলে হয়ত এখনো ভিআর এর কদর আছে। আর এআর খুব একটা প্রচলিত না। কিন্তু যারা এআর, ভিআর ব্যবহার করে অভ্যস্ত তারা আর এতে নতুন কিছু পান না। তাই কাটুন ও ফিল্ম নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডিজনির রিসার্চ টিম আরো উন্নত কিছু আবিষ্কারের নেশায় কাজ করে যাচ্ছিল। যা মানুষকে চমকে দেবে। ডিজনি রিসার্চ (জন মার্স) আসলেই এমন এক বেঞ্চ আবিষ্কার করেছে, যেখানে এআর এর মজা পাবেন আপনি কোন রকম চশমা ব্যবহার না করেই। কিংবা আপনাকে নিতে হবে না কোন প্রযুক্তির সাহায্য। যা করার ওই বেঞ্চেই করবে। এ বেঞ্চ আমাদের স্কুল কলেজের বেঞ্চের মত দেখতে হলেও এটি একটি বিশেষ বেঞ্চ।

বেশ কিছু ডিভাইস এই বেঞ্চের নিচে স্থাপন করা হয়েছে। যাদের একটি হচ্ছে অক্টাটর। এই অক্টাটর সংবেদনশীল ছবিকে আপনার সঙ্গে যুক্ত করে। আপনাকে ক্যারেক্টারের সঙ্গে যুক্ত করে। মনে হবে আপনি বসে আছেন ক্যারেক্টারের সঙ্গেই। তাদের সঙ্গে নড়াচড়া করতে পারবেন। পারবেন তাদের ছুঁড়ে দেয়া বল ধরতে। কিংবা বৃষ্টি হলে ভার্চুয়াল জিরাফ যে ছাতা নিয়ে আসেবে আপনি বৃষ্টি থেকে বাঁচতে আশ্রয় নিতে পারবেন তার তলায়। এগুলো নতুন কোন বিষয় ছিলনা। এআর কিংবা ভিআর প্রযুক্তিতে এই অভিজ্ঞতার সঙ্গে সবার পরিচয় আছে। কিন্তু সেক্ষেত্রে আপনাকে পরিধান করতে হতো বিশেষ চশমা বা ডিভাইজ কিন্তু ডিজিনির এই বিশেষ ব্যবস্থায় আপনি কোন ডিভাইজ ছাড়াই কার্টুন চরিত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

অথবা ডুবে যেতে পারবেন পানির তলায় কিন্তু আপনার দম বন্ধ হবে না। কেননা পুরোটাই ভার্চুয়াল জগৎ। তবে এই সব অজ্ঞিতা আপনি দেখতে পাবেন এই বেঞ্চের সামনে রাখা বিশাল আকারের স্ক্রিনে। সেখানেই ফুটে উঠবে অনেকটা আয়নার মত আপনি ক্যারেক্টারের সঙ্গে কি করছেন না করছেন। ডিজিনির প্রধান ডিজিটাল আর্টিস ম মাহলার এর মতে ডিজিনির পরিকল্পনা আছে এটা তাদের পার্কে স্থাপন করার। বিনোদন প্রদানের উদ্দেশ্যে। তবে এটা এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে আছে। এখনো খুটিনাটি পর্যবেক্ষন বাকি আছে। তারপর হয়তো এটা সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে। তবে ইতিমধ্যে ডিজিনির এই প্রযুক্তি বেশ সাড়া জাগিয়েছে।