নিউজনল্যান্ডে নিষিদ্ধ চীনের তৈরী হুয়াওয়ের পন্য

images (1)

মো.সাইফুল ইসলাম (ভোলা):বেশ কয়েকটি দেশের পর এবার নিউজিল্যান্ডেওবন্ধ করা হলো হুয়াওয়ের তৈরি টেলিকম নেটওয়ার্ক সরঞ্জামের ব্যবহার। জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারনে চীনের প্রতিষ্ঠানটির তৈরি যন্ত্রপাতি নেটওয়ার্কে ব্যবহারের প্রস্তাব বাতিল করা হয়।ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানায়, স্পার্ক নিউজিল্যান্ড নামের টেলিকমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের যন্ত্রপাতি ব্যবহারকরতে চেয়েছিল।কিন্তু, নিউজিল্যান্ডের সরকারি নিরাপত্তাসংস্থা জানায়, এর ফলে জাতীয় নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে চীনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো বর্জনের বিভিন্ন উদ্যোগ সম্প্রতি শুরু হয়েছে।

এরইআওতায় এই সিদ্ধান্ত নিল নিউজিল্যান্ড।বিভিন্ন দেশে ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক তৈরি করা হচ্ছে। এসব নেটওয়ার্ক মোবাইল অবকাঠামোয় লক্ষণীয় নতুন জোয়ার নিয়ে আসবে।কয়েকটি দেশের সরকার ইতিমধ্যেই বিশ্বের বৃহত্তম টেলিকম যন্ত্র নির্মাতা হুয়াওয়ের পণ্য ব্যবহার বন্ধ করেছে। গুপ্তচরবৃত্তিতে এসব যন্ত্র ব্যবহার করা হয়, এই আশঙ্কায় হুয়াওয়ে বর্জন করে দেশগুলো।নিউজিল্যান্ডের টেলিকম কর্তৃপক্ষ জিসিএসবি স্পার্ককে জানায়, এসব যন্ত্র ব্যবহার করা হলে ‘জাতীয় নিরাপত্তা উল্লেখযোগ্য ঝুঁকির মধ্যে পড়বে’।আগে অস্ট্রেলিয়াও নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের অয়ারলেস নেটওয়ার্কে চীনের হুয়াওয়ে ও জেডটিই’র তৈরি ফাইভ-জি টেকনোলজির ব্যবহার আটকে দেয়।যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন হুয়াওয়ের তৈরি যন্ত্রের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

জার্মানি, জাপান ও কোরিয়াও ব্যাপক সতর্কতা অবলম্বন করেছে।যুক্তরাষ্ট্র টেলিকম সেবাদাতাদের হুয়াওয়ের পণ্য বর্জনের সম্মত করার চেষ্টাচালিয়ে যাচ্ছে, গত সপ্তাহে জানা ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।চীনের প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে দেশটির সরকারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা এগুলো গোয়েন্দাগিরির কাজে ব্যবহার করা হয় বলে আশঙ্কা করছে বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞরা।অস্ট্রেলিয়ার সাইবার পলিসি সেন্টারের কর্মকর্তা টম উরেন বলেন, চীন বহু বছর ধরে তথ্য চুরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’চীনের সরকার সাইবার-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুপ্তচরবৃত্তি ও মেধাভিত্তিক সম্পত্তি (intellectual property) চুরির সঙ্গে জড়িত,’ যোগ করেন তিনি।গত বছর চীন সেখানকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থার কাজে সহায়তা করতে বাধ্য করে একটি আইন প্রবর্তন করে। এরপরই তাদের পণ্য ব্যবহারে আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ বৃদ্ধি পায়।