থাইল্যান্ড ভ্রমণঃ ২০তম পর্ব

Thailand 20

মাহাতাব লিটনঃ আমাদের মাইক্রোবাসটি পরিচ্ছন্ন সবুজ শহরের আঁকা বাঁকা মসৃণ পথ ঘুরে ঘুরে এসে থামল বিশাল এক মিলনায়তনের সামনে, সুন্দরী দুজন নারী এসে হাসি মুখে অভ্যর্থনা জানালেন। এগিয়ে এলেন আরেকজন নারী তিনি শতভাগ মেদমুক্ত পরিমিত হাসিযুক্ত ছোট ছোট বিলেতি শব্দে সাজানো বাক্যে একটি করে টোকেন দিলেন সবাইকে। এরপর মাঝ বয়সী এক ভদ্রলোক আমাদের নিয়ে এগিয়ে গেলেন।

বাহ্ ! অপূর্ব !! আমরা যেন এক অসাধারণ শিল্প জেমস্ এর গ্যালারীতে/ সংগ্রহশালায় এখন দর্শকমাত্র।ধীরে ধীরে সামনে যাচ্ছি আর পৃথিবীর বিখ্যাত দামি দামি পাথরের প্রদর্শনীতে মুগ্ধ হচ্ছি।

কর্ণে আসে বারবার ওয়াও ওয়াও।  নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে ছবি তোলা নিষেধ। আবেগের গলায় দড়ি বেঁধে আমরা আরও সামনে এগিয়ে যাই।  একটু পর পর নতুন নতুন বিস্ময়ে আমরা বিমোহিত হই।

এরপর জীবনের প্রথম দেখা জেমস এর কারখানা। ভেতরে কাজ করছে শতাধিক জেমসের কারিগর। যাঁদের নিরলস পরিশ্রমে তৈরি হচ্ছে দামি দামি পাথরের জুয়েলারী আইটেম।এরপর জেমস্ সংগ্রহশালার বিপনন শাখায় নিয়ে যাওয়া হল। অনেকটা আমাদের দেশের আড়ং এর মত কিন্তু এটি বিশাল আয়তনের ।

শতাধিক কর্মী পসরা সাজিয়ে বসে আছে। কিন্তু দাম আমাদের মত নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে আয়ত্বের বাইরে। তারাও চাইলেন আমরা যাতে কিছু কিনি, কারণ তারা জানেন বা নিশ্চিত আমরা ভিনদেশী।

সামান্য ট্রাম্পমানি আছে আমাদের পকেটে, কিন্তু এখনও ব্যাংকক যাওয়া হয়নি। খুউব খেয়াল করে ব্যয় করছি। আরে আমাদের ট্যুরিস্ট গাইড কোথায় ? তাকে তো দেখছি না ? সত্যি সত্যি আমাদের টিমের সাথে তিনি নেই। কিন্তু এখনও দুটি স্পট বাকি (চলবে)

লেখকঃ মাহাতাব লিটন, প্রজেক্ট ম্যানেজার, WMPL