আজই ঘুরে আসুন সীতাকুন্ড

YASIN HOSSAIN RAKIB

ইয়াসিন হোসেন  রাকিব (ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট প্রতিনিধিঃ) সীতাকুণ্ড কোথায়? আপনি যদি ঘুরাঘুরি করতে ভালোবাসেন এবং পাহাড়,গাছ-পালা পছন্দ করেন তবে  আজই বাসা থেকে বের হয়ে একদিনের মধ্যে ঘুরে আসতে পারেন সীতাকুন্ডের মত দারুণস্থান।

আমার ডাইরি থেকে  কিছু কথা শুনেন “দেখতে দেখতে পবিত্র রমজান মাস হাজির হয়ে গেল, আর আমরা জানি ঈদের পরেই আমাদের পরীক্ষা। বিরতির ফুসরতটুকু পাবার আর অবকাশ নেই তাই হুট করেই কয়েকজন মিলে গত বৃহস্পতিবার একদিনের জন্য ঘুরে এলাম সীতাকুণ্ড থেকে। মন ও মস্তিষ্কটাকে একটু রিফ্রেশ করার প্রয়াসে কিছুটা সময় প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটিয়ে আসলাম যেন পূর্ন মনযোগী হয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারি।

আমরা গিয়েছিলাম সীতাকুণ্ড এর পন্থিছিলায় অবস্থিত ঝরঝরি ট্রেইলে। অসম্ভব সুন্দর এই ট্রেইলের প্রতিটি পরতে পরতে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য্য সত্যিই বিমোহিত করে তোলে। ঝিরির সচ্ছ পানিতে ধুয়ে মুছে যায় সমস্ত ক্লান্তি। সুন্দর কোন কিছুতে কোন প্রতিবন্ধকতা থাকবে না তা কি হয়… ঝরনার রুপ দেখতে একটু তো জোকের কামড় সহ্য করতেই হয় কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঝরনার অপার সৌন্দর্য্য দেখে সকল কষ্ট সার্থক মনে হয়।”

অনেক যেতে ইচ্ছা করছে? আসুন দেখি কিভাবে যাওয়া যায়, আমি যেহেতু ছাত্র সেহেতু কম খরচেই  সব জায়গায় যাও্যার প্লান করে থাকি। আমার মতই বলছি প্রথমে কমলাপুর চলে যাবেন সেইখান থেকে রাত ১০টায় মেইল ট্রেন ছাড়ে একটু কষ্ট করে উঠে গেলেই সিট পাওয়া যায়। ট্রেনের টিকেট ১২০টাকা,ট্রেন সীতাকুন্ডের স্টেশনে নামিয়ে দিবে তখন সেইখান থেকে সীতাকুন্ডে যেতে হবে। সীতাকুন্ড থেকে  জনপ্রতি ২৫টাকা করে সিএনজিতে  চন্দ্রনাথ মন্দির দিয়ে ঘুড়াঘুড়ি শুরু করতে পারেন। ১২শ ফুট উচুতে আছে চন্দ্রনাথ মন্দির এবং তিনটা বেসকেম্প,যা মন্দিরের লোকরা তাদের প্রয়োজনে বানিয়েছে। এখন অনেকেই এইখানে ঘুরতে যায় তাই নিরাপত্তা নিয়ে তেমন ভয় থাকে না।

বাম পাশ দিয়ে উঠে ডান পাশ দিয়ে নামলে সব কিছু দেখে আসতে পারবেন বলে আশা করছি।ডানদিক দিয়ে নামার সময় সীতাকুণ্ড ইকোপার্কের রাস্তা আছে ,আমার মতে এইদিক দিয়েই যাওয়া ভালো যদি বাজেট কম থাকে। ইকোপার্কে সবকিছু রয়েছে, ২০টাকা দিয়ে টিকেট কেটে প্রবেশ করতে পারেন,অনেক সময় ৫০টাকা করে নেয়।

এখানে তিন স্তরের ঝর্ণা আছে যা আপনাকে ছুটি কাটানোর আনন্দ  কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে। আশার সময় একই তবে একটু সমস্যা হতে পারে তাই আমার মতে বাসে চলে আসাই ভালো। রাত ৮/৯টায় রওনা দিলে ঢাকায় পরদিন সকালের মধ্যে চলে আসতে পারবেন।