ঝকঝকে নতুন মহাকাশযানের ছবি প্রকাশ করলো স্পেসএক্স

ইমাম হোসেন শাকিল (ফেনী, ছাগলনাইয়া প্রতিনিধি) : মহাকাশযানের বিষয়ে যারা জানেন, তাদেরকে আর স্পেসএক্সের কথা নতুন করে বুঝিয়ে বলতে হবে না। নাসার মতোই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের এই বেসরকারি মহাকাশযান প্রস্তুতকারক কোম্পানিটি। স্পেস এক্সের নতুন ‘স্টারশিপ’ মহাকাশযানটি প্রস্তুত হয়েছে উড্ডয়নের জন্য।

২০১৮ সালে স্পেস এক্সের সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিলো বিএফআর অর্থাৎ বিগ ফ্যালকন রকেট। এই রকেটগুলো পৃথিবীর কক্ষপথে বেশ কয়েকবার উৎক্ষেপণ করা হয় সফলভাবে। এবার তাদের নতুন স্টারশিপ তৈরি হয়েছে, যাকে ডাকা হচ্ছে ‘হপার’ নামে। যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে বোকা চিকা গ্রামে স্পেসএক্সের লঞ্চ সাইটে প্রস্তুত করা হয়েছে রকেটটিকে।

ছবির এই স্পেসশিপটিকে ‘সাবঅরবিটাল ভার্টিকাল টেক-অফ’ টেস্টের জন্য ব্যবহার করা হবে। অর্থাৎ তাকে মহাকাশের দিকে উৎক্ষেপণ করা হবে, তবে তা পৃথিবীকে ঘিরে একবার প্রদক্ষিণ করার আগেই অবতরণ করবে। পরবর্তীতে ‘অরবিটাল’ ভ্রমণের জন্য তাকে প্রস্তুত করা হবে, তখন এই মহাকাশযান আরও লম্বা হবে, তার দেয়াল পুরু হবে ও এর নাকটা হবে মসৃণ। এই মহাকাশযানের অরবিটাল ধরনটি প্রস্তুত হতে পারে ২০১৯ সালের জুন মাস নাগাদ।  

স্পেসএক্সের ভারী লঞ্চ ভেহিকলগুলোর তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন হলো এই স্টারশিপ।  তারা বিগ ফ্যালকন রকেটের স্থানটা দখল করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর নাম ‘স্টারশিপ’ কেন, ধারণা করতে পারছেন? কারণ তা চাঁদ ও মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার উপযুক্ত বলে আশা করা হচ্ছে।

টুইটার ব্যবহারকারী ইভেলিন জেনেইডি আরেভালো হপার প্রোটোটাইপের কাছাকাছি যেতে সক্ষম হন এবং এর ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।

গত সপ্তাহে ইলোন মাস্ক ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, স্টারশিপ উড্ডয়নের পরীক্ষা করা হতে পারে ফেব্রুয়ারি মাসে। তবে কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা মাসখানেক পিছিয়েও যেতে পারে।

সূত্র: ম্যাশেবল