থাইল্যান্ড ভ্রমণঃ ২৫তম পর্ব

Thailan 25

মাহাতাব লিটনঃ ভিনদেশে ভিনদেশী নারীর অতীব মানবিক আবেদন ” ঐ ফলটি খাইব”। আর তাই যেমন করিয়া পারি ফল ক্রয় করিয়া আমরা সন্ধ্যার সাগর সৈকতে। ডিউরিয়ান একটি জংলী ফল আমার কাছে তা না হলে এর শরীরে বাহিরের অংশে কাঁটা এতো শক্ত ও ধারালো হয়।

মনে হচ্ছে শত্রুর হাত থাকিয়া বাঁচিবার জন্য প্রকৃতির ইহা মুক্ত হস্তে দান। অনেক কস্টে মস্টে এন্টি কাটার হাতে সার্জারির পূর্বে চার সদস্য বিশিষ্ট টিম বসিয়া অনেক ভাবিয়া টাবিয়া অপারেশন শুরু ও সমাপ্ত হইল।  একদিকে প্রকৃতির দৃশ্য অবলোকন দুই চক্ষু ভরিয়া অপরদিকে দুই হস্তে প্রকৃতির একটি ফল কর্তেন প্রাণপন চেস্টা।

ফলের ঘ্রাণটি যদিও সুঘ্রাণ নয়। সম্মিলিত প্রচেস্টায় অবাকটি ফলটি ভক্ষণ সমাপ্ত। সেতো ভালই। কিন্তু কাঁটা যুক্ত ফলের ছাল কি করব? কোথায় ফেলব। অবশেষে বাপবেটি ফলের কবর খুঁড়ে ওটাকে পুঁতে ফেলা হল। কিন্তু তাতেও মন ভরল না যদি জোয়ারে জল বালি সরিয়ে এই আজব জিনিসটাকে ভাসিয়ে তোলে তখন তো আবার সেই ভয় ট্যুরিস্টদের পায়ে ক্ষত হবার শঙ্কা। ফের দুজন মিলে ওটাকে রেসকিউ করে সৈকতে অনেকটা দুরে সড়কের পাশে বিনে ফেলা আসা হল। এবার প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস ত্যাগ করলাম যতটা গ্রহনও করলাম ততটা। বাপরে কি ওটা একটা গলার কাটা হয়ে ছিল।

এরপর অনেকটা সময় দুই কন্যা শিশুর সাথে আমরাও সৈকতের বালি দিয়ে ভাস্কর্য বানাতে ওদের দুইজনকে সাহায্য করলাম। (চলবে)

লেখকঃ মাহাতাব লিটন, প্রজেক্ট ম্যানেজার, WMPL