থাইল্যান্ড ভ্রমণঃ ২৬তম পর্ব

Thailan 26

মাহাতাব লিটনঃ অবশেষে ফুকেটের প্রেম ত্যাগকরে রওয়ানা হলাম। ব্যাংককের উদ্দেশ্যে। চার চাকায় চেপে ৫০০ থাই বাথ গুনতে হল। হোটেল ছেড়েছি ১২টার আগেই তা না হলে পুরো একটা দিনের টাকা গুনতে হতো।

রাজকীয় বাসের টিকেট কেটেছি। সেই বাসতো আসবে বিকেল ৫টায় এতো সময় কি করি? সবে মাত্র দুপুর ১২টা। ঘুরতে গেলেও অনেকটা পথ। লাগেজ গুলি জমা রাখলাম কাউন্টারে।এর মধ্যেই পেটের ভেতরটা ডাকাডাকি শুরু করেছে, কিন্তু ডেকে লাভ নেই যদি না হালাল খাবার না মেলে তবে তো রোযা থাকতে হবে।

চারজন মিলে হালাল রেস্তোরাঁর খোঁজে হাঁটতে থাকি পথ আর শেষ হয়না। প্রায় দুই কিলোমিটার হেঁটে দেখামেলে মালয়েশিয়ান হোটেল হালাল খাবার। থাইল্যান্ডে সবখানেই খাবারের হোটেলে পর্কের উপস্থিতি । তাই খাবার গ্রহনের আগে সতর্কতা অবলম্বন জরুরী।

বাহ্ অনুভূতি দারুণ, মালেশিয়ান খাবার মন্দ না। সালাদ জাতীয় খাবারই বেশি। স্বল্প মূল্যে দুপুরের আহার সম্পন্ন। টিম লিডার হিসেবে আমি খুশি।

ফেরার পথে ডিএসএলআর এ ক্লিক ক্লিক। আবারও পদব্রজে। এইটুকু পথের গাড়ি পাব কই। দারুণ ক্লান্ত, ক্যালোরী বার্ণ হয়ে গেল যা নেয়া হয়ে গেল। (চলবে)

লেখকঃ মাহাতাব লিটন, প্রজেক্ট ম্যানেজার, WMPL