ভোলার পর্যটন কেন্দ্র গুলোতে উপচে পরা ভিড়

চরফ্যাশন

মো. সাইফুল ইসলাম(ভোলা জেলা প্রতিনিধি):-ঈদ মানে আনন্দ ঈদ মানে খুশি।আর ঈদের আনন্দ কে সম্পূর্ন উপভোগ করতে ঘোড়া ঘুড়ির কোন বিকল্প নেই। এই খুশিকে দ্বিগুন বাড়িয়ে তুলতে প্রিয়জনদেরকে নিয়ে পর্যটন কেন্দ্র গুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন সবাই।ভোলার এমন ই সব পর্যটন কেন্দ্র গুলোতে লক্ষ করা গেছে চোখে পরার মত ভিড়।আত্মীয় পরিবার পরিজন নিয়ে পর্যটন কেন্দ্র গুলোতে ঘুড়তে যাচ্ছেন সবাই।

প্রথমে ভোলার ওয়াচ টাওয়ারের কথাই বলা যাক;উপ মহাদেশের মধ্য সবচেয়ে বড় ওয়াচ টাওয়ার(জ্যাকব টাওয়ার) ভোলার চর ফ্যাশনে অবস্থিত।১৮ তলা এই ভবন বিশিষ্ট এই টাওয়ার টি দেখার জন্য অনেক জায়গা থেকে পর্যটক এসেছেন।যার উপর থেকে মেঘনা নদীর মোহনা ও চর কুকরি মুকড়ি সহ তেতুলিয়া নদীর একাংশ দেখা যায়।এছাড়া রয়েছে টাওয়ারটিতে রয়েছে বিলাশ বহুল হোটেল।পর্যটকদের দৃষ্টি কাড়তে লাগানো হয়েছে পানির ফোয়ারা ও নান্দনিক কালারের বাতি।এছাড়া এর আশেপাশে রয়েছে ফুলের বাগান যা এর সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে তুলেছে।

আরো একটি পর্যটন কেন্দ্র হচ্ছে দিঘলদীর কোড়ালীয়ায় অবস্থিত ইকোপার্ক।যেখানে নদীর পাশে আঁকাবাকা যায়গায় বাধাই করা  এক নান্দনিক সৌন্দর্যের অধিকারি পার্ক।আর বাহারি রঙের উঁচুনিচু টুল।প্রকৃতির খোলা বাতাস যা পর্যটকদের আকর্ষন করার মত একটি পর্যটন কেন্দ্র।

এর পাশাপাশি দিঘলদী ইউনিয়নের বাঘমারা ব্রীজ ও ভেদুরিয়া ইউনিয়নের খেয়াঘাাট ব্রীজে বেশ পর্যটক সমাগম দেখা গেছে।ব্রীজ গুলো আকর্ষনীয় হওয়ায় পরিনত হয়েছে আনন্দের এক মিলন মেলায়।ব্রীজের নিচে ট্রলার কিংবা স্প্রীড বোটের মাধ্যমে নদীতে ভ্রমন করতে যাচ্ছেন কেউ কেউ।আবার কেউ কেউ ব্রীজের উপর দারিয়ে নিচের সৌন্দর্য অবলোকন করছেন।

এদিকে অনেকেই আবার পরিবারের সাথে আনন্দ খুজে পাওয়ার জন্য গেছেন পৌর পুকুর কিংবা তুলাতলী মেঘনা নদীর মোহনা দেখতে।সন্ধ্যার পর পৌর পুকুর এলাকায় দর্শনার্থীদেন ভিড় অনুভব করা যায়।এছাড়া তুলাতলী মেঘনা নদীর মোহনার সেখানে রয়েছে ছোট বড় ব্লক।যেখানে বসে নদীর সৌন্দর্য অবলোকন করেন দর্শনার্থীরা।

সব মিলিয়ে ভোলা জেলার ঈদ আনন্দ প্রিয়জনদের সাথে আরো আনন্দঘন করতে ভিড় করছেন নানা পর্যটন কেন্দ্র গুলোতে।আর সব পর্যটন কেন্দ্র গুলোতেই পর্যটদের দৃষ্টি আকর্ষন করতে নেওয়া হয়েছে নানা ব্যাবস্থা।এর পাশাপাশি পর্যটকদের সমস্যা আর যে কোন অপ্রিত্তিকর ঘটনা এড়াতে ভোলা আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সজাগ দৃষ্টি রাখছেন।যাতে করে ভোলাবাসী প্রিয়জনদের সাথে নির্বঘ্নে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে পারে।তাই নেওয়া হয়েছে সব ধরনের ব্যাবস্থা।জোরদার করা হয়েছে সব ধরনের নিরাপত্তা।