সীতাকুণ্ডের কুমারীকুন্ড

kumarikundo-s

ইমাম হোসেন শাকিল (জেলা প্রতিনিধি, ফেনী): পৌরাণিক এক অঞ্চল সীতাকুন্ড। পাহাড়ের এদিকে সেদিক শত শত ছড়া। একেকটা ছড়ায় একেক বিস্ময় লুকিয়ে রাখা। তেমনি এক ছড়ায় খুঁজে পাওয়া গেলো রহস্যময় এক প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ, কুমারীকুন্ড। সম্ভবত প্রাচীন হিন্দুরা হট স্প্রিং বা উষ্ণ প্রস্রবণকে পবিত্র ভাবতেন।

সীতাকুন্ডের প্রসিদ্ধ লবণাক্ষকুন্ড ও অগ্নিকুন্ড মূলত বুদবুদ করে বেরোনো গ্যাসে জালানো অগ্নিকুন্ডকে উপজীব্য করেই পীঠস্থান নামে গড়ে উঠেছে। হয়তো এটিও ছিলো সেরকমই কোন এক মন্দির। যুগের ব্যবধানে ও মূল তীর্থ অঞ্চল থেকে অন্তত দশ কিলোমিটার দূরত্বজনিত দূর্গমতার কারণে মানুষ যার কথা হয়তো বিষ্মিত হয়েছে। চিপা ঝিরির ঝোপঝাড়ের ডালপালা ভেঙ্গে অনেকদূর যাবার পর হঠাৎ মাটি চাপা পড়া পুরোনো দিনের ইটের কাঠামো।

আট-দশ ফুট গভীর এক স্বচ্ছ নীল পানির পাথর দিয়ে বাঁধানো কূপ, চৌবাচ্চাও বলা যায়। স্বচ্ছ নীল পানির তলদেশ থেকে গ্যাসের বুদবুদ উঠছে। চারপাশের দেয়াল ধ্বসে গেছে সেই কবেই। চারপাশে অদ্ভুদ আকারের সব পাথর। একদম অপরিচিত লোকচক্ষুর আড়ালে হারিয়ে যাওয়া এই মন্দির।

কিভাবে যাবেন: ঢাকা থেকে বাসে বা ট্রেনে সীতাকুন্ড-কুমিরা। তারপর স্থানীয়দের সাহায্য নিয়ে কুমারীকুন্ড।